ডাকসু নির্বাচন সর্বশেষ পরিস্থিতি (১ম পর্ব)



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর হলের প্রাধ্যক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেলা ১১টা ১০ থেকে নতুন করে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এ হলে ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল পাঁচটা ১০ পর্যন্ত।



আজ সোমবার কুয়েত মৈত্রী হলে বস্তাভর্তি সিল মারা ব্যালট পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এসব ব্যালটে ছাত্রলীগের হল সংসদের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দেওয়া ছিল। এরপর এই হলের ভোট গ্রহণ স্থগিত হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।




কুয়েত মৈত্রী হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাষ্য, আজ সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরুর কথা থাকলেও ঘণ্টাখানেক আগে থেকেই অন্যান্য হলের মতো এখানেও ছাত্রীদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। সাড়ে সাতটার দিকে নির্বাচনে প্রার্থীরা হল প্রভোস্টের কাছে তাদের সামনে ব্যালট বক্স খোলার দাবি করে।



তবে তাদের সামনে বাক্স খোলা হয়নি। সকাল ৭ টা ৫০ মিনিটের দিকে হলে প্রক্টর আসেন। এরপর প্রক্টর ও হল প্রভোস্ট মিলে ব্যালট বাক্স হলের রিডিং রুমে নিয়ে যান। এরপর ছাত্রীরা গিয়ে রিডিং রুম থেকে বস্তাভর্তি ব্যালট পান।
প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী প্রথম আলোকে বলেছেন, সিল মারা ব্যালটের সত্যতার প্রমাণ আমরা পেয়েছি।
এ ঘটনার পরই ওই কুয়েত মৈত্রী হলে প্রাধ্যক্ষ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহউপাচার্য মুহাম্মদ সামাদ। তিনি বলেন, কুয়েত মৈত্রী হলের প্রাধ্যক্ষ শবনম জাহানকে অপসারিত করা হয়েছে। অধ্যাপক মাহবুবা নাসরিনকে ভারপ্রাপ্ত প্রাধ্যক্ষ করা হয়েছে।
মুহাম্মদ সামাদ বলেন, যে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।



সূত্র:প্রথম আলো পত্রিকায়

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.